শিরোনাম
Loading...

news review 1

reveunis 2

Phone-Video

বুধবার, ২১ জানুয়ারী, ২০১৫

শুরু হচ্ছে যৌথ অভিযান

বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের চলমান অবরোধে নাশকতা ও সন্ত্রাস দমনে সারা দেশে শুরু হচ্ছে যৌথ অভিযান। প্রশাসনিক, রাজনৈতিক ও আইনশৃংখলা বাহিনীর সমন্বয়ে চলবে এ অভিযান। এতে অংশ নেবে র‌্যাব, বিজিবি, পুলিশ ও সরকারের দুটি গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা। অভিযানের সমন্বয় করবেন সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক। আইনশৃংখলা বাহিনীকে বিভিন্ন ধরনের সহায়তা দেবে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা। তাদের সংগঠিত করতে নিজ নিজ এলাকায় গিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন ক্ষমতাসীন দলের সংসদ সদস্যরা। এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ক্ষমতাসীন দলের যথাযথ কর্তৃপক্ষকে বলা হবে। বুধবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত আইনশৃংখলা সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বিশেষ বৈঠকে উল্লিখিত সব সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। কমিটির সভাপতি শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে কেউ নাশকতাকারীকে ধরিয়ে দিলে এক লাখ টাকা পুরস্কার দেয়ারও সিদ্ধান্ত হয়। বৈঠক শেষে শিল্পমন্ত্রীর দেয়া ব্রিফিং এবং সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রে জানা গেছে এসব তথ্য।বৈঠক সূত্র জানায়, আন্দোলনের নামে যারা সারা দেশে নাশকতা ও বোমাবাজি করছে, তাদের একটি তালিকা করেছে সরকারের দুটি গোয়েন্দা সংস্থা। ১০ হাজার ৯৪৯ জনের নাম-ঠিকানাসহ ওই তালিকা বুধবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আইনশৃংখলাসংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে হস্তান্তর করা হয়েছে। দেশের ৩০ জেলাকে স্পর্শকাতর উল্লেখ করে দেয়া ওই তালিকা ধরে বোমাবাজ ও নাশকতাকারীদের গ্রেফতারে আজকালের মধ্যেই শুরু হচ্ছে যৌথ অভিযান। তবে মঙ্গলবার রাত থেকে রাজধানীতে সীমিত আকারে এ অভিযান শুরু হয়েছে।সূত্র আরও জানায়, যৌথ অভিযানের পরও কোনো এলাকায় সহিংসতা হলে সংশ্লিষ্ট এলাকার জেলা প্রশাসক (ডিসি), পুলিশ সুপার (এসপি), উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) জবাবদিহি করতে হবে। প্রয়োজনে এসব কর্মকর্তাকে প্রত্যাহারসহ নেয়া হবে বিভাগীয় ব্যবস্থা। বৈঠকে উপস্থিত আইনশৃংখলা বাহিনীর এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জনবল সংকটের কথা উল্লেখ করে নাশকতা দমনে ক্ষমতাসীন দলের সহায়তা চান। এর পরেই বৈঠক থেকে সংসদ সদস্যদের নিজ নিজ এলাকায় গিয়ে নেতাকর্মীদের সংগঠিত করার কথা বলা হয়।রেললাইনে কোনো নাশকতা হলে সংশ্লিষ্ট এলাকার জনপ্রতিনিধিদের কাছেও কৈফিয়ত চাওয়া হবে বলে বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়। পাশাপাশি বৈঠক থেকে রাজধানীর আবাসিক হোটেল ও মেস, বাসাবাড়িতে চিরুনি অভিযান চালানোর নির্দেশ দেয়া হয়েছে।শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, পানিসম্পদমন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান, স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মুজিবুল হক চুন্নু, পুলিশের মহাপরিদর্শক একেএম শহীদুল হক, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমান, র‌্যাবের মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ, বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আজিজ আহমেদ এবং ডিজিএফআই, এনএসআই, এসবি, কোস্টগার্ড ও আনসার প্রধানসহ কমিটির সংশ্লিষ্টরা।বৈঠকে উপস্থিত একাধিক সূত্র জানায়, দেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আইনশৃংখলা কমিটির বৈঠকে চরম উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। প্রথমেই আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থার প্রধানদের কাছে বিদ্যমান পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চায় কমিটি। কেন নাশকতাকারীদের ধরা যাচ্ছে না এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক হচ্ছে না- সে সম্পর্কে কেউ কেউ আইনশৃংখলা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে কৈফিয়তও চান। জানতে চাওয়া হয় কারা এসব করছে?এ সময় আইনশৃংখলা বাহিনীর সদস্যদের পক্ষ থেকে বলা হয়, অবরোধের নামে নাশকতাকারীদের গ্রেফতারে তারা জোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। ইতিমধ্যে চিহ্নিত বোমাবাজ, নাশকতাকারী ও অর্থ যোগানদাতাদের অনেকেই গ্রেফতার হয়েছে। তাদের পক্ষ থেকে নাশকতা মোকাবেলায় চেষ্টার কোনো ত্র“টি নেই উল্লেখ করে জনবল সংকটের কথা বলা হয়। ওই সময় ক্ষমতাসীন দলের স্থানীয় নেতাকর্মীদের অসহযোগিতার অভিযোগ করে র‌্যাবের পক্ষ থেকে বলা হয়, মাঠপর্যায়ের নেতাকর্মীরা সহায়তা করলে অনেক আগেই নাশকতা রোধ করা যেত। ক্ষমতাসীন দলের স্থানীয় নেতাকর্মীদের কাছে এ ব্যাপারে সহায়তা চাইলেও তেমন সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না।বৈঠক সূত্র জানায়, আইনশৃংখলা বাহিনীর শীর্ষ এক কর্মকর্তা ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীদের দিকে অভিযোগের আঙুল তুলে বলেন, সহিংসতা হচ্ছে এমন এলাকায় খোঁজ নিয়ে জানা গেছে স্থানীয় সংসদ সদস্য, জনপ্রতিনিধি এবং আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা মাঠে নেই। নেতাদের কাছে না পেয়ে কর্মীরাও মাঠে নামছে না। জনবল সংকটের কথা বলে ওই কর্মকর্তা বলেন, শুধু আইনশৃংখলা বাহিনীর সদস্যদের দিয়ে সারা দেশে ছড়িয়ে পড়া এ নাশকতা ও চোরাগোপ্তা হামলা ঠেকানো কঠিন।একটি গোয়েন্দা সংস্থার প্রধান বৈঠকে বলেন, এ ধরনের চোরাগোপ্তা হামলা মোকাবেলা করতে হলে এলাকার জনপ্রতিনিধি, ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মী, সুশীল সমাজ, মসজিদের ইমাম, শিক্ষক ও গণমাধ্যমকর্মীদের সমন্বয়ে গণসচেতনতামূলক কার্যক্রম চালাতে হবে। পাশাপাশি আইশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযানও পরিচালনা করতে হবে। তার এ বক্তব্যকে সমর্থন করেন অন্য বাহিনীর প্রতিনিধিরাও।ওই সময় কমিটির পক্ষ থেকে বৈঠকে বলা হয়, সংসদ সদস্যদের এলাকায় উপস্থিত থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করতে সরকারের শীর্ষ পর্যায়ে আলোচনা করে দ্রুত সংসদ অধিবেশন মুলতবি করার প্রস্তাব করা হবে। প্রধানমন্ত্রীর সম্মতি মিললে এমপি-মন্ত্রীকে নিজ নিজ এলাকায় অবস্থান করে নেতাকর্মীদের সংগঠিত করার জন্য বলা হবে। প্রয়োজনে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের ‘আইনশৃংখলা সংক্রান্ত কমিটি’ এবং ‘সন্ত্রাস ও নাশকতা প্রতিরোধ কমিটি’ ১৪ দলীয় নেতাকর্মীদের কো-অপ্ট করে পুনর্গঠন করা হবে।আইনশৃংখলা বাহিনীর কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তা গণমাধ্যমের প্রতি বিষোদ্গার করে বলেন, অবরোধ-হরতাল বাস্তবে হচ্ছে না।
www.24banglanewspaper.com 
এসব কর্মসূচি পালিত হচ্ছে গণমাধ্যমেই। প্রতিদিন হাজার হাজার গাড়ি চলছে। অফিস-আদালতেও স্বাভাবিক কাজকর্ম চলছে। তাহলে হরতাল-অবরোধ কোথায় পালিত হচ্ছে। একটি বা দুটি গাড়ি পোড়ালেই, সেটি দুই-তিন দিন ধরে মিডিয়ায় প্রচার করা হচ্ছে। বিরোধী দলের আন্দোলন মূলত মিডিয়াই বাঁচিয়ে রেখেছে। এ বিষয়ে তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনুর কাছে জানতে চাওয়া হয়। তথ্যমন্ত্রী কমিটিকে জানান, শিগগিরই তিনি মিডিয়ার সহযোগিতা চেয়ে মিডিয়া প্রধানদের সঙ্গে বৈঠক করবেন।বৈঠকে আনসার বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়, রেলের নাশকতা রোধে সাড়ে ৮ হাজার আনসার সদস্য মোতায়েন করা হলেও তেমন সুবিধা করা যাচ্ছে না। কারণ তাদের হাতে দেয়া হয়েছে শুধু বাঁশের লাঠি। অন্যদিকে নাশকতা সৃষ্টিকারীরা আধুনিক অস্ত্রেশস্ত্রে সজ্জিত। ফলে কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না। এ সময় প্রস্তাব করা হয়, রেললাইনের দু’পাশের গ্রামের জনপ্রতিনিধি ও ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীদের এ ব্যাপারে সতর্ক থাকার নির্দেশনা দিতে হবে। এ সময় কমিটি প্রধান বলেন, রেলে কোনো সহিংসতা হলে সংশ্লিষ্ট এলাকার জনপ্রতিনিধিরা জবাবদিহি করবেন। প্রয়োজনে তাদের বরখাস্ত করা হবে।পেট্রলবোমা নিক্ষেপকারীদের প্রতিরোধের বিষয়ে কমিটির পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশ দিয়ে বলা হয়, রাজধানীসহ বিভিন্ন শহরে মোটরসাইকেলে একাধিক আরোহী থাকলেই তা তল্লাশি করতে হবে। কারণ পেট্রলবোমা নিক্ষেপকারীদের বেশির ভাগই মোটরসাইকেল আরোহী। ‘বিকাশে’র মাধ্যমে নাশকতা সৃষ্টিকারীরা অর্থ পাচ্ছে বলে অভিযোগ করলে কমিটি বিকাশ সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা যায় কিনা- বৈঠকে উপস্থিত বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের কাছে জানতে চান। তবে নানা যুক্তি দেখিয়ে প্রস্তাবটি নাকচ করেন গভর্নর ড. আতিউর রহমান।বৈঠক শেষে কমিটির সভাপতি শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু সাংবাদিকদের বলেন, হরতাল-অবরোধে নাশকতাকারীদের ধরিয়ে দিলে এক লাখ টাকা পুরস্কার দিবে সরকার। মঙ্গলবার স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল পুরস্কার দেয়ার উদ্যোগের কথা জানানোর এক দিন পর সরকারের পক্ষ থেকে এ ঘোষণা এলো।নাশকতার আশংকায় অবরোধের মধ্যে সারা দেশে ৭ হাজার ১৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী আরও বলেন, ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় ১৫৪ জন গ্রেফতার হয়েছে। এর মধ্যে বিএনপির ১২৫, জামায়াত-শিবিরের ২৭ ও অন্য দলের দু’জন রয়েছে। সার্বিক আইনশৃংখলা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে দাবি করে আমির হোসেন আমু ১৬ থেকে ২০ জানুয়ারি পর্যন্ত ঢাকার সঙ্গে বিভিন্ন জেলার যান চলাচলের সার্বিক চিত্র সাংবাদিকদের সামনে উপস্থাপন করে বলেন, এ সময় সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ১৭ হাজার থেকে সর্বোচ্চ ৬৬ হাজার গাড়ি (বাস, ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান, ওয়েল ট্যাংকার, জিপ) হাইওয়ে দিয়ে ঢাকায় এসেছে এবং ঢাকা থেকে বিভিন্ন স্থানে ছেড়ে গেছে।তিনি বলেন, ‘আমরা একটি বিষয় নিয়ে উদ্বিগ্ন। দেশের মানুষের কাছে প্রশ্ন, দেশে আদৌ রাজনীতি থাকবে কি থাকবে না। রাজনীতিকে দেশের অঙ্গন থেকে আমরা বিদায় দিচ্ছি কিনা। কারণ আমরা দেখেছি, দেশে কোনো রাজনৈতিক অ্যাকটিভিটিস (কর্মকাণ্ড) নেই।’কমিটির প্রধান বলেন, ‘খালেদা জিয়ার কি মনে নেই আমরা অবরোধ করেছিলাম, তখন ইয়াজউদ্দিনের বঙ্গভবন থেকে শুরু করে হাইওয়ে, জেলা-উপজেলার সড়কে লাখ লাখ লোক বসে অবরোধ করেছিল। ওটা হল অবরোধ। এখন যারা পেট্রলবোমায় মানুষ মেরে অবরোধ করে, তারা দেশ থেকে রাজনীতি বিদায় করতে চায়। নকশাল বাড়ির মতো একটা দল তারা গঠন করতে চায়।’তিনি বলেন, দেশে রাজনীতিকে বাঁচিয়ে রাখা ও পুনরুজ্জীবিত করার স্বার্থে আইনশৃংখলা-সংক্রান্ত এ কমিটিসহ সবাইকে কঠিন হস্তে এ অপসংস্কৃতির রাজনীতি দমন করতে হবে। আজ যদি এরা প্রাধান্য পায়, সামনে আসে, তবে ভবিষ্যৎ কী হবে? কেউ তাহলে কষ্ট করে রাজনীতি করবে না। কেউ সংগঠন করবে না। পেট্রলবোমা মেরে যদি দাবি আদায় করা যায়, তবে ভবিষ্যতে আর রাজনীতি করার প্রয়োজন থাকবে না। মানুষ হত্যা করার এ রাজনীতি সফল হতে পারে না, পারে না, পারে না। এটা আজ আমরা অনুধাবন করেছি। সেভাবেই আমাদের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে, ভবিষ্যতেও হবে’, বলেন আমু।সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, যৌথ বাহিনীর হাতে থাকা দীর্ঘ তালিকা নিয়ে চলবে অভিযান। স্পর্শকাতর জেলাগুলো ছাড়াও রাজধানীর ৪৯ থানা এলাকাকে টার্গেট করে মাঠে নেমেছে যৌথ বাহিনী। আর অভিযানের জন্য রাতের স্থির ঢাকাকে তারা বেছে নেয়। পুলিশ কর্মকর্তারা বলছেন, রাজধানীতে যৌথ বাহিনীতে পর্যাপ্তসংখ্যক সদস্য রয়েছেন। তবে অভিযানের গুরুত্ব বুঝে সদস্য সংখ্যা কমবেশি হতে পারে।কত দিন যৌথ অভিযান চলবে এ প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল যুগান্তরকে বলেন, আইনশৃংখলা বাহিনীর সমন্বয়ে যে অভিযান চলছে, তা হচ্ছে নাশকতা বিশৃংখলাকারীদের বিরুদ্ধে। এ অভিযান তত দিন পর্যন্ত চলবে, যত দিন পর্যন্ত না পরিস্থিতি শান্ত হয়। তিনি বলেন, পরিস্থিতির উন্নয়ন ও নাশকতাকারীদের দমনে আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীকে কঠোর নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে যেখানেই নাশকতার আশংকা রয়েছে, সেখানেই অভিযানের নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

Related Post:

  • 0Blogger Comment
  • Facebook Comment

pop Earnings