শিরোনাম
Loading...

news review 1

reveunis 2

Phone-Video

বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০১৫

প্রয়োজনে গুলি চালাবে বিজিবি


জনগণের জানমাল রক্ষায় প্রয়োজনে গুলি চালাবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। তাদের কাছে যেসব অস্ত্র আছে তার সবই প্রাণঘাতী। তাই নাশকতাকারীদের ঠেকাতে গিয়ে গুলিতে কারও প্রাণ গেলে এর দায় বিজিবির নয়। বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর পিলখানায় জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আজিজ আহমেদ। তিনি বলেন, একজন ব্যক্তি যদি বোমার বিস্ফোরণ ঘটায় তাহলে ৫ জন নিহত হতে পারে। ওই দৃশ্য কোনো বিজিবি সদস্যের নজরে এলে ওই বোমাবহনকারীকে ক্যাজুয়ালটি করা তার দায়িত্ব। বিজিবি মহাপরিচালক বলেন, সীমান্ত রক্ষা আমাদের প্রধান কাজ। কিন্তু জনগণের জানামাল রক্ষা করা ও অভ্যন্তরীণ সিভিল প্রশাসনকে সহায়তা দেয়া আমাদের সেকেন্ডারি কাজ। সুতরাং এ কাজে আমাদের কোনো সমস্যা হচ্ছে না। অভ্যন্তরীণ আইনশৃংখলা রক্ষায় ঢাকার বাইরে ১৭টি জেলায় বিজিবি সদস্যরা সার্বক্ষণিক টহলে রয়েছেন। প্রতিদিন ৮০ থেকে ৮৫ প্লাটুন (প্রতি প্লাটুনে ৩০ জন) বিজিবি কাজ করছে। আরও ৩৫ জেলা থেকে বিজিবি চাওয়া হয়েছে। সেসব জেলার জন্য ৭০ থেকে ৭৫ প্লাটুন বিজিবি প্রস্তুত রাখা হয়েছে, যাতে প্রয়োজন হলেই তারা যেতে পারেন। ২০১৩ সালের কথা তো আপনাদের মনে আছে। আমরা এ সময় বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা দিতে যতদিন প্রয়োজন ততদিন মাঠে থাকব।এ সময় বিজিবির বিভিন্ন কার্যক্রম নিয়ে কথা বলেন মহাপরিচালক। ২০ দলীয় জোটের ডাকা চলমান অবরোধ কর্মসূচি ও হরতালের মধ্যে নাশকতা দমনে বিজিবির ভূমিকা নিয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন তিনি। মহাপরিচালক বলেন, বিজিবি মানুষ হত্যা করতে চায় না। সে ধরনের নির্দেশও বিজিবির ওপর নেই। তবে মানুষ হত্যা করতে দেখলে বা বিজিবি নিজে আক্রান্ত হলে জীবন বাঁচানোর তাগিদে যে কোনও আক্রমণ প্রতিহত করা হবে।বর্তমানে দেশের আইনশৃংখলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ বাহিনীতে জনবল ঘাটতি থাকায় বিভিন্ন জেলায় বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। অবরোধ চলাকালে বুধবার পর্যন্ত বিজিবির পাহারায় প্রায় ৩৫ হাজার গাড়ি দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে রাজধানীতে এসে পৌঁছায়।আজিজ আহমেদ বলেন, বিজিবিতে নতুন একটি এয়ার উইং চালুর কাজ চলছে। এ শাখায় ৪টি হেলিকপ্টার থাকবে। ২টি হেলিকপ্টার সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করবে। আর ২টি অপেক্ষমান রাখা হবে। ভারত সীমান্তে ৩৪১ কিলোমিটার ও মিয়ানমার সীমান্তে ১৯৮ কিলোমিটার ঝুঁকিপূর্ণ সীমান্ত পাহারায় ওই এয়ার উইং কাজ করবে। এছাড়া নাশকতা ঠেকাতে ২০টি স্লাইপার ডগ আনা হবে। এগুলো গন্ধ শুঁকে বিস্ফোরকদ্রব্য শনাক্ত করতে পারবে। এগুলোকে নিয়ন্ত্রণ ও রক্ষণাবেক্ষণের প্রশিক্ষণ নিতে ২০ জন বিজিবি সদস্যকে বিএসএফের কাছে পাঠানো হবে।আজিজ আহমেদ আরও জানান, গত বছর ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ ৬২২ বাংলাদেশীকে ধরে নিয়ে যায়। এর মধ্যে ৪১৭ জনকে বিজিবি ফেরত আনতে পেরেছে।www.24banglanewspaper.com

Related Post:

  • 0Blogger Comment
  • Facebook Comment

pop Earnings