শিরোনাম
Loading...

news review 1

reveunis 2

Phone-Video

রবিবার, ৪ জানুয়ারি, ২০১৫

অবরুদ্ধ নয়, খালেদার ইচ্ছাতেই বাড়তি নিরাপত্তা : প্রধানমন্ত্রী


খালেদা জিয়াকে অবরুদ্ধ বা বন্দি করা হয়নি। তার ইচ্ছাতেই তাকে নিরাপত্তা দেয়া হয়েছে। রোববার সন্ধ্যায় গণভবনে ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সংগঠনটির নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।উনি (খালেদা জিয়া) চাইলেই বাড়ি চলে যেতে পারেন। ৫ জানুয়ারির বছর পূর্তিতে কর্মসূচি দেওয়ার পর নিজের কার্যালয়ে খালেদা জিয়ার অবস্থানকে ‘নাটক’ বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।প্রধানমন্ত্রী বলেন,৫ জানুয়ারি ঢাকায় সব ধরনের সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধকারী পুলিশ বলছে, বিএনপি চেয়ারপারসনের নিরাপত্তার ‘স্বার্থেই’ এই পদক্ষেপ নিয়েছে তারা।তিনি বলেন, আমি জানি না এই ভদ্র মহিলার ব্যাপার স্যাপার। উনি অফিসে থাকছেন। তাকে বাসায় যান বললে বলেন, না আমি বাসায় যাব না।শেখ হাসিনা বলেন, আগে থেকেই আমি খবর পাচ্ছিলাম, উনার অফিসে উনার পছন্দমতোই খাট-পালং, গদি-টদির ব্যবস্থা করা হচ্ছে। ৃপরে দেখলাম উনার গুলশান অফিসে। উনি ওখান থেকে যাচ্ছেন না। আর বলছে, উনাকে নাকি বন্দি করে রাখা হয়েছে। উনি তো বন্দি না, ইচ্ছা করলে উনি উনার বাসায় এখনই যেতে পারেন।কয়েকদিন আগে নিরাপত্তা চেয়ে পুলিশের কাছে বিএনপি চেয়ারপারসনের আবেদনের কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন,  পুলিশ যখন নিরাপত্তা দিল, তখন আবার বলে, বন্দি করে রাখছে। অতীতের বেশ কয়েকটি ঘটনার উদাহরণ টেনে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী বলেন,  তবে উনার এটা নতুন না। এর আগেও এরশাদবিরোধী আন্দোলন আমরা যখন করি। উনি তখন বাসা থেকে বের হয়ে এসে পূর্বাণী হোটেলে গিয়ে থাকলেন। এরশাদ সাহেব পূর্বাণীর দরজা ভেঙে বের করলেন।প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের অবশ্য দরজা-টরজা ভেঙে বের করার কোনো উদ্দেশ্য নেই। যেখানে থাকতে চান, সেখানেই থাকেন, এটা তার বিষয়। উনি নিজের অফিসেই যদি থাকতে চান, থাকুক। এ বিষয়ে আমাদের কোনো কিছু করার নেই। লোকজন যাচ্ছে-আসছে, খানা-পিনা যাচ্ছে-আসছে, সবই তো হচ্ছে। কিন্তু মাঝখানে এত নাটক করা! এরশাদ আমলে ১৯৮৬ সালে আওয়ামী লীগের নির্বাচনে যাওয়া নিয়ে বিএনপির সমালোচনার জবাবও এই প্রসঙ্গে দেন তিনি। আওয়ামী সভানেত্রী বলেন, সবাই মিলে সিদ্ধান্ত হল নির্বাচনে যাবে। হঠাৎ নির্বাচনের কয়েকদিন আগে উনি বললেন, উনারা ইলেকশনে যাবেন না। একথা বলেই বায়তুল মোকাররমের ওখানে গিয়ে একটা বক্তৃতা দিলেন। সিপাই বেরিয়ে আস, জনতা জাগ, সিপাই জনতা বিপ্লব কর। “বিপ্লবের ডাক দিয়েই তিনি আন্ডার গ্রাউন্ডে চলে গেলেন। তিনদিন পর্য‌ন্ত উনার কোনো খবর নাই। তিন দিন আন্ডার গ্রাউন্ডে থাকার পর দেখেন সিপাইও বের হন না, জনতাও জাগে না।”“তখন উনি মনের দুঃখে গেলেন ঢাকা কোর্ট প্রাঙ্গণে। ওখানে সাংবাদিকদের বললেন, আমাকে জেনারেল এরশাদ বন্দি করে রেখেছিল তিন দিন। এক কাপড়ে ধরে নিয়ে গেছে, বন্দি করে রেখেছে। সাংবাদিকরা বললো, আপনার কাপড় তো ইস্ত্রি করা। উনার সঙ্গে যারা ছিলেন, তারা বললেন, ম্যাডাম বাইরে যাওয়ার সময় সঙ্গে কাপড় নিয়ে যান তো, কাপড়-চোপড় নিয়েই তিনি বের হয়েছিলেন।” শেখ হাসিনা এসময় ঠাট্টার সুরে বলেন, “আমরা অনেক নাটক দেখছি। বাংলাদেশে অবশ্য নাটকের অভাব হয় না। টিভিতেও অনেক ভাল নাটক দেখায়। উনারা মনে হয় একজন ভাল অভিনেত্রীকে মিস করছেন। আমি টিভি চ্যানেলগুলোকে বলব, এত ভাল একজন অভিনেত্রী থাকতে কেন তারা তাকে চান্স দিচ্ছেন না।“উনি কিন্তু ভাল নাচতে পারতেন। স্কুলে থাকতে উনি ভাল নাচতেন। যাক, এতকিছু আমি বলতে চাই না।  এত নাটকের মধ্যে মানুষ যে আজকে পবিত্র দিনে ধর্মপালন পালন করবে, সে সুযোগটাও তারা পাচ্ছেন না। সবাইকে একটা আতঙ্ক নিয়ে চলতে হচ্ছে।  ৫ জানুয়ারি নির্বাচনে অংশ না নেওয়া খালেদা জিয়ার ‘রাজনৈতিক ভুল’ ছিল দাবি করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমরা দেখেছি ২০১৪ সালের ৫ই জানুয়ারির নির্বাচন ঠেকানোর নামে শতশত মানুষ হত্যা করেছে। মানুষকে পুড়িয়ে মেরেছে। আজকে তিনি ঠিক একই ঘটনা ঘটাচ্ছেন কেন?“সে সময় ছিল আমাদের পাঁচ বছর শেষ হয়েছে। একটা ট্রানজিট পিরিয়ড। ওই অবস্থায় নির্বাচন ঠেকাতে যিনি ব্যর্থ হয়েছেন, তিনি এটা কি করে মনে করেন যে, আজকে উনি দু-চারটে মানুষ খুন করেই পুরো নির্বাচন বানচাল করে দেবে, সরকার উৎখাত করে দেবে।’’ ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের সতর্ক করে তিনি বলেন, যারা বদনাম কুড়াবে, দলে তাদের জায়গা হবে না।ছাত্রলীগের সভাপতি এইচএম বদিউজ্জামান সোহাগের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকী নাজমুল আলম। www.24banglanewspaper.com

Related Post:

  • 0Blogger Comment
  • Facebook Comment

pop Earnings