শিরোনাম
Loading...

news review 1

reveunis 2

Phone-Video

সোমবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০১৫

মতিঝিলে বন্দুকযুদ্ধে জামায়াত নেতা ইমরুল নিহত


রাজধানীর মতিঝিলে গোয়েন্দা পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নড়াইল পৌর কাউন্সিলর ও জামায়াত নেতা ইমরুল কায়েস নিহত হয়েছেন। পুলিশের দাবি, তিনি নাশকতাকারী। নড়াইল সদর থানা আক্রমণ মামলাসহ তার বিরুদ্ধে ৮টি মামলা রয়েছে। তার কাছ থেকে একটি অত্যাধুনিক পিস্তল, ২ রাউন্ড গুলি ও ৫টি তাজা বোমা উদ্ধার করা হয়েছে। তার গ্রামের বাড়ি নড়াইল জেলায়। তিনি নড়াইল পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি। জামায়াতে ইসলামীর অভিযোগ, ইমরুলকে অপহরণের পর হত্যা করা হয়েছে। ডিবির উপপুলিশ কমিশনার জাহাঙ্গীর হোসেন মাতুব্বর বলেন, রোববার রাতে ডিবির একটি টিম মতিঝিল এলাকায় টহল ডিউটি করছিল। রাত ৩টার দিকে মতিঝিল এজিবি কলোনির কাঁচাবাজরের কাছে ৫-৬ জন সহযোগী নিয়ে নাশকতার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন ইমরুল। লোকজন দেখে ডিবির টিম সেখানে গেলে তারা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। এ সময় ইমরুল গুলিবিদ্ধ হন। প্রথমে তার পরিচয় পাওয়া যায়নি। অজ্ঞাত ছিল। উপ-পুলিশ কমিশনার বলেন, তার পরিচয় পাওয়ার পর নড়াইল সদর থানার মাধ্যমে জানা যায়, ২০১৩ সালে জামায়াত নেতাকর্মীরা নড়াইল সদর থানায় আক্রমণ চালিয়েছিল। ওই মামলার আসামি ইমরুল। এছাড়া নড়াইলে পুলিশের ওপর হামলা, নাশকতাসহ তার বিরুদ্ধে আরও ৭টি মামলা রয়েছে।সুরতহাল রিপোর্ট থেকে জানা গেছে, নিহতের শরীরে অসংখ্য গুলির চিহ্ন রয়েছে। মতিঝিল থানার এসআই শেখ ফিরোজ আলম জানান, লাশের পরিচয় নিহত : জামায়াত নেতা না পাওয়ায় লাশ মর্গে পাঠিয়ে দেয়া হয়। নিহত ইমরুল কায়েসের খালাতো ভাই জাহিদ রহমান সোহেল দুপুরে মর্গে গিয়ে লাশ শনাক্ত করেন। ইমরুল কায়েস সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য দিতে পারেননি জাহিদ। তিনি বলেন, আমার সঙ্গে ইমরুলের তেমন যোগাযোগ ছিল না। থাকতেন ওয়ারীর ৬৩/১ দক্ষিণ মসুন্দি মেসে।যুগান্তরের নড়াইল প্রতিনিধি জানান, ইমরুল নড়াইল পৌরসভার ১নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর এবং জামায়াত নেতা। তার পরিবারের সদস্যরা দাবি করেন, ১৭ জানুয়ারি ডিবি পুলিশ ঢাকা থেকে তাকে আটক করে। আটকের সংবাদ পেয়ে পরিবারের সদস্যরা ডিবিতে যোগাযোগ করে তার কোন খোঁজ পাননি। তার মোবাইল ফোনটি বন্ধ ছিল। স্ত্রী জান্নাতে ফেরদৌস ও আনারকলি নামে তার ৩ বছরের একটি মেয়ে রয়েছে। গত বছর নড়াইলের দুর্গাপুর-ডুমুরতলায় পুলিশের সঙ্গে জামায়াত-বিএনপির সংঘর্ষ হয়। ওই মামলায় তিনি ৩৯ নম্বর আসামি ছিলেন। এদিকে তার পরিবারের দাবি তিনি কোনো দল করতেন না।জামায়াতের বিবৃতি : জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় প্রচার বিভাগ থেকে সোমবার এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, নড়াইল পৌরসভার ১নং ওয়ার্ড জামায়াতে ইসলামীর সভাপতি এবং ১নং ওয়ার্ডের নির্বাচিত কাউন্সিলর অ্যাডভোকেট ইমরুল কায়েসকে অপহরণ করে হত্যা করা হয়েছে। এর নিন্দা এবং প্রতিবাদ জানিয়ে জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর অধ্যাপক মুজিবুর রহমান বলেন, ইমরুল উচ্চ আদালত থেকে মামলার জামিন নেয়ার জন্য কয়েকদিন আগে ঢাকায় আসেন। তিনি তার এক স্বজনের বাসায় অবস্থান করছিলেন। ১৭ জানুয়ারি শনিবার ডিবি পুলিশ ওই বাসা থেকে তাকে উঠিয়ে নিয়ে যায়। সোমবার ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে তার লাশের সন্ধান পাওয়া যায়www.24banglanewspaper.com

Related Post:

  • 0Blogger Comment
  • Facebook Comment

pop Earnings