ব্যালন
ডি’অর বিজয়ীর নাম ঘোষণার আগে পরশু সাংবাকিদের মুখোমুখি হয়েছিলেন তিন
প্রতিদ্বন্দ্বী- ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো, লিওনেল মেসি ও ম্যানুয়েল নুয়ার।
সেখানে তিনজনের কাছেই প্রশ্ন করা হয়েছিল, অতীতের কোন ফুটবলারের সঙ্গে খেলার
স্বপ্ন দেখেন তারা। মেসি ও নুয়ার নির্দিষ্ট কারও নাম না বললেও সবাইকে অবাক
করে রোনাল্ডো জানিয়ে দেন, ‘ফুটবলে অতীত বলে কিছু নেই। সবই বর্তমান। যদি
বর্তমানের দুই সেরা মেসি ও নুয়ারের সঙ্গে এক দলে খেলতে পারি, তাতেই বর্তে
যাব আমি।’ কিন্তু রোনাল্ডোর কথার সঙ্গে কাজের কোনো মিল নেই! মুখে মেসি,
নুয়ারকে সেরা বললেও নিজের তিন ভোটের একটিও তাদের দেননি পর্তুগাল অধিনায়ক।
একইভাবে আর্জেন্টিানা অধিনায়ক মেসির ভোটও পাননি রোনাল্ডো ও নুয়ার।
ফিফা
ব্যালন ডি’অর নির্বাচনে এবার ভোট দিয়েছেন ১৮১ দেশের কোচ, ১৮২ দেশের
অধিনায়ক ও ১৮১ দেশের একজন করে নির্বাচিত সাংবাদিক। প্রত্যেকেরই তিনজনকে ভোট
দেয়ার সুযোগ ছিল। প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় পছন্দের ভোটের জন্য যথাক্রমে
পাঁচ, তিন ও এক পয়েন্ট বরাদ্দ থাকে। সর্বোচ্চ ৩৭.৬৬ শতাংশ ভোট পেয়ে বিজয়ী
হয়েছেন রোনাল্ডো। ৩০৩ জন ভোটারের প্রথম পছন্দ ছিলেন রোনাল্ডো। তিন বিভাগে
মোট ৪৪০ ভোট পেয়েছেন তিনি। পয়েন্টের হিসাবে যা ১৮৪৪। ৫৫ জনের প্রথম পছন্দে
মেসির মোট পয়েন্ট ৭৭২। তৃতীয় হওয়া নুয়ার ৮৫ জনের প্রথম ভোট পেলেও তার
পয়েন্ট ৭৬৯।আর্জেন্টিনার সাংবাদিক
এনরিক সাকে মেসির পাশাপাশি রোনাল্ডো ও নুয়ারকেও ভোট দিয়েছেন। কিন্তু
পর্তুগালের সাংবাদিক জোয়াকিম রোতার ভোট পাননি মেসি ও নুয়ার। জার্মানির
সাংবাদিক কার্ল হেইঞ্জ উইল্ড বেছে নিয়েছেন তিন জার্মানকে। আর্জেন্টিনার কোচ
জেরার্ডো মার্টিনোও তিন শিষ্যকে ভোট দেয়ার নিরাপদ পথে হেঁটেছেন।
ওয়েবসাইট।www.24banglanewspaper.com
