শিরোনাম
Loading...

news review 1

reveunis 2

Phone-Video

বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০১৫

এমপিরা এলাকায় না থাকায় ১৪ দলের বৈঠকে ক্ষোভ


জ্বালাও-পোড়াওয়ের মধ্যে সরকারি দলের এমপিরা এলাকায় জনগণের পাশে না থাকায় ১৪ দলের বৈঠকে ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকালে ধানমণ্ডিতে আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ক্ষমতাসীন জোটের বৈঠকে বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন ঢাকার সরকারি দলের এমপি আসলামুল হক আসলাম। তিনি বলেন, দল ও দেশের এই দুঃসময়ে এমপিরা এলাকা ছেড়ে ঢাকায় এসে ফুরফুরে মেজাজে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। কিন্তু তা হবে না। তিনি জানতে চান, এজন্যই কি তাদের মনোনয়ন দেয়া হয়? এ বৈঠকটি ছিল মূলত স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের সঙ্গে। সন্ত্রাস ও নাশকতা রোধে উপজেলা ও ইউনিয়নে শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা কমিটি গঠন, জেলা-উপজেলার আইনশৃঙ্খলা কমিটিতে ১৪ দলের নেতাদের অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী আশ্বাস দেন। এতে সিদ্ধান্ত হয় আক্রান্ত এলাকা রংপুরের মিঠাপুকুরে আগামীকাল ১৭ জানুয়ারি ও পরশু ১৮ জানুয়ারি গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে জনসভা অনুষ্ঠিত হবে। ঢাকার সব নির্বাচনী এলাকা এবং প্রত্যেক জেলায়ও ১৪ দলের উদ্যোগে জনসভা করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। সম্ভব হলে ইউনিয়ন পর্যায়ে জনসভা আয়োজনের জন্য বলা হয়েছে। বৈঠকের সংশ্লিষ্ট সূত্র যুগান্তরকে এসব তথ্য জানিয়েছে।১৪ দলের এ বৈঠকে বিএনপি নেতা ও সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী রিয়াজ রহমান গুলিবিদ্ধের ঘটনায় জড়িত দুর্বৃত্তদের খুঁজে বের করা এবং তাদের গ্রেফতারের অগ্রগতি বিষয়ে জানতে চান শরিক দল বাসদের আহ্বায়ক রেজাউর রশিদ খান। জবাবে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, এ ঘটনায় জড়িতদের খুঁজে বের করে গ্রেফতারের ব্যাপারে আমরা খুব কাছাকাছি স্থানে চলে এসেছি। আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন দলের কেন্দ্রীয় নেতা অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন, মাহবুবউল আলম হানিফ, জাহাঙ্গীর কবির নানক, খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম ও স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, কেন্দ্রীয় নেতা খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, আহমদ হোসেন, অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন, বদিউজ্জামান ভুঁইয়া ডাব্ল–, অসীম কুমার উকিল, এসএম কামাল হোসেন, আমিনুল ইসলাম আমিন, এনামুল হক শামীম, সুজিত রায় নন্দী প্রমুখ।শরিকদের মধ্যে ওয়ার্কার্স পার্টির ফজলে হোসেন বাদশা, জাসদের শরিফ নুরুল আম্বিয়া ও শিরীন আকতার, সাম্যবাদী দলের দিলীপ বড়–য়া, ন্যাপের ইসমাইল হোসেন, বাসদের রেজাউর রশিদ খান, কমিউনিস্ট কেন্দ্রের ডা. অসিত বরণ রায়, জেপির আবু সাইদ খান, তরিকত ফেডারেশনের আবদুল আওয়াল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। ঢাকার সরকারি দলের এমপি আসলামুল হক আসলাম ছাড়াও ইলিয়াস মোল্লা এ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। বৈঠক শেষে সিদ্ধান্তগুলো সাংবাদিকদের অবহিত করেন ১৪ দলের মুখপাত্র মোহাম্মদ নাসিম।জানা গেছে, আসলামুল হক আসলাম সহকর্মী সরকারি দলের এমপিদের সমালোচনা করলে তাকে সবাই সমর্থন জানান। এ সময় ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা এমপি বলেন, এলাকায় এমপিরা জনগণের পাশে থাকলে বিএনপি-জামায়াত জোট সহিংসতা করে পার পাবে না। তিনি এমপিদের নিজ নিজ এলাকায় অবস্থান করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ভূমিকা পালনের ব্যাপারে অনুরোধ জানান। এ সময় সব জেলায় ১৪ দল নেতাদের আইনশৃঙ্খলা কমিটিতে অন্তর্ভুক্তির ব্যাপারে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে আগামী সাত দিনের মধ্যে ডিসিদের চিঠি দিয়ে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বলা হবে বলে জানান স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কামাল। জেলা ছাড়াও উপজেলা পর্যায়ে আইনশৃঙ্খলা কমিটিতে ১৪ দলের শরিক দলগুলোর নেতাদের অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে ডিসি-ইউএনওদের চিঠি দেবেন। পাশাপাশি ইউনিয়ন ও পাড়া-মহল্লায় এ আদলে শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা কমিটি গড়ে তোলার ব্যাপারে ১৪ দলের এ বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়।সন্ত্রাসী হত্যাকাণ্ড চালাচ্ছে বিএনপি- নাসিম : মোহাম্মদ নাসিম সারা দেশে চোরাগোপ্তা হামলার জন্য বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়াকে দায়ী করে বলেছেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করার জন্য খালেদা জিয়া নারকীয় কায়দায় মানুষ হত্যাসহ সারা দেশে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে এবার উনি চূড়ান্তভাবে পরাজিত হবেন। ১৪ দলের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।সারা দেশে চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং সন্ত্রাসবিরোধী কমিটি পুনর্গঠনের লক্ষ্যে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের সঙ্গে কেন্দ্রীয় ১৪ দলের এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে, ঢাকা মহানগরসহ সারা দেশে বিএনপি-জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের সন্ত্রাস, নৈরাজ্য, চোরাগোপ্তা বোমা হামলা ও জঙ্গি নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের বিপক্ষে জনগণকে সচেতন করা হবে। এজন্য ১৪ দলের উদ্যোগে গণসংযোগ, পথযাত্রা, শান্তি মিছিল এবং শান্তি সমাবেশের আয়োজন করা হবে।সারা দেশে সন্ত্রাস প্রতিরোধ কমিটির ফরম্যাট কেমন হবে? এমন প্রশ্নের জবাবে মোহাম্মদ নাসিম বলেন, সন্ত্রাস প্রতিরোধ কমিটি জনগণকে সঙ্গে নিয়ে বিএনপি-জামায়াতের দেশব্যাপী নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে জনপ্রতিরোধ গড়ে তুলবে। এর আগে যেখানে এসব কমিটি বাদ গেছে সেখানেও এবার কমিটি করা হবে।বিএনপিকে খুনি ও মেরুদণ্ডহীন দল আখ্যায়িত করে তিনি বলেন, তাদের সঙ্গে কোনো সংলাপ হবে না। খুনিদের সঙ্গে কোনো সংলাপ হতে পারে না। যারা আমার মা, ভাই, বোনদের বোমা মেরে হত্যা করছে, তাদের সঙ্গে কোনো ধরনের সংলাপ হতে পারে না। যাদের হাতে রক্তের দাগ তাদের সঙ্গে আবার সংলাপ কিসের?www.24banglanewspaper.com

Related Post:

  • 0Blogger Comment
  • Facebook Comment

pop Earnings