শিরোনাম
Loading...

news review 1

reveunis 2

Phone-Video

সোমবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০১৫

সংবিধান লংঘন করছে দুদলই


বিশিষ্ট আইনজীবী ও গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন বলেছেন, দেখামাত্র গুলির নির্দেশ দেয়ার কথা শোনা যাচ্ছে। এ ধরনের নির্দেশ দেয়ার মধ্য দিয়ে পুলিশকে একটি অসম্ভব অবস্থার মধ্যে ঠেলে দেয়া হচ্ছে। পুলিশকে অসাংবিধানিক নির্দেশ দিলেও সংবিধান লংঘন করা হয়। সোমবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধন ও সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন। ড. কামাল হোসেন আরও বলেন, গুলি করার মতো নির্দেশ দেয়ার কথা যারা বলছেন তারা সংবিধান লংঘন করছেন। তেমনি যারা ভাংচুর-অগ্নিসংযোগ করছে তারাও সংবিধান লংঘন করছে। তিনি বলেন, তারা সবাই ভুলে গেছে জনগণ ক্ষমতার মালিক। আর এ জন্যই আমরা মালিক হয়ে আজ রাস্তায় নেমেছি এসব প্রতিবাদ জানানোর জন্য। সভা-সমাবেশসহ গণতান্ত্রিক অধিকার নিশ্চিত করা, রাজনৈতিক সহিংসতা বন্ধ, চলমান সংকট মোকাবিলায় সংলাপের আয়োজনসহ বেশকিছু দাবিতে গণফোরাম, সিপিবি, বাসদের একটি অংশ, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলÑ জেএসডি এবং নাগরিক ঐক্য যুগপৎভাবে এ কর্মসূচির আয়োজন করে। কিন্তু একপর্যায়ে যুগপৎ থাকেনি। অনেকটা একমঞ্চেই সবাই বক্তব্য রাখার মতো পরিবেশ তৈরি হয়ে যায়। সমাবেশে মাইক ব্যবহার করতে না দেয়ায় হ্যান্ড মাইকেই বক্তারা বক্তব্য দেন। প্রধানমন্ত্রী সচিবালয়ে কেবিনেট বৈঠকে থাকায় পুলিশের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা রাজনৈতিক নেতাদের মাইক ব্যবহার না করার জন্য অনুরোধ জানান।ড. কামাল হোসেন মানববন্ধনে অভিযোগ করেন, প্রধানমন্ত্রী তখন বলেছিলেন যে, তাকে নিয়ম ও সংবিধান রক্ষায় ৫ জানুয়ারির নির্বাচন করতে হচ্ছে। সবার সঙ্গে কথা বলে পরবর্তী প্রক্রিয়া কি হবে তা নির্ধারণ করা হবে বলে ওই সময়ে আশ্বস্ত করেন। কিন্তু এখন তাদের পক্ষ থেকে এটা অস্বীকার করা হচ্ছে। তিনি অবিলম্বে একটি জাতীয় সংলাপ ডাকার জন্য সরকারের কাছ আহ্বান জানান।সিপিবি সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম বলেন, ৫ জানুয়ারির নির্বাচন ছিল পোকায় খাওয়া। এটা কোনো স্বাভাবিক নির্বাচন ছিল না। প্রধানমন্ত্রীও বলেছিলেন, এটা নিয়ম রক্ষার নির্বাচন। কিন্তু এখন তাদের বক্তব্য পাল্টে গেছে। তিনি অবিলম্বে সভা-সমাবেশ থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়ার দাবি জানান। পাশাপাশি বিএনপিকেও অবরোধ প্রত্যাহার এবং পাশাপাশি তাদের সভা-সমাবেশ করতে সুযোগ দেয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি সভাপতি আ স ম আবদুর রব বলেন, বিজিবি প্রধান দেশের ভেতরে গুলি চালালে সীমান্ত রক্ষা করবে কে? তিনি আরও বলেন, এ সরকার ভোট ডাকাতি করে ক্ষমতায় এসেছে। এদের দেশ চালানোর অধিকার নেই। এ ধরনের নির্দেশ দেয়ারও তাদের অধিকার নেই। তিনি দেশে রাজনৈতিক সব ধরনের সংকট রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলার আহ্বান জানান।নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, নিরাপত্তার নামে যে ভণ্ডামি করা হচ্ছে তা বন্ধ করা হোক। তিনি একই সঙ্গে ভাংচুর-অগ্নিসংযোগ বন্ধ করারও আহ্বান জানান।মানববন্ধনে অন্যদের মধ্যে বাসদের একাংশের আহ্বায়ক খালেকুজ্জামান ভূঁইয়া, সিপিবি সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ জাফর আহমদ, জেএসডি সাধারণ সম্পাদক আবদুল মালেক রতন, সাবেক আওয়ামী লীগ নেতা সুলতান মুহাম্মদ মনসুর আহমদসহ কয়েকশ নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। www.24banglanewspaper.com

Related Post:

  • 0Blogger Comment
  • Facebook Comment

pop Earnings