অভিযোগের
সত্যতা এখনও প্রমাণিত হয়নি। তবে জাতীয় দলের একজন ক্রিকেটারের বিরুদ্ধে এমন
মামলা স্পর্শকাতর। বাংলাদেশের পেসার রুবেল হোসেনের বিরুদ্ধে শনিবার মিরপুর
মডেল থানায় নাজনীন আক্তার হ্যাপি নামের এক অখ্যাত অভিনেত্রী নারী ও শিশু
নির্যাতন আইনে মামলা করেন। এ অভিনেত্রী মোস্তাফিজুর রহমান মানিকের ‘কিছু
আশা কিছু ভালোবাসা’ ছবিতে নাম ভূমিকায় অভিনয় করেছেন। শনিবার মামলা করে তিনি
তেজগাঁওয়ে ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে ছিলেন। কাল ঢাকা মেডিকেল কলেজ
হাসপাতালে পরীক্ষার পর মিরপুর মডেল থানায় এসে তিনি বলেন, ‘রুবেল যদি আমাকে
বিয়ে করে, তাহলে আমি মামলা তুলে নেব।’ ঢামেক হাসপাতালের ফরেনসিক মেডিসিন
বিভাগের অধ্যাপক ডা. হাবিবুজ্জামান বলেন, ‘হ্যাপির
শারীরিক পরীক্ষার জন্য তিন সদস্যের একটি
মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছে। আমরা চেষ্টা করব দ্রুত রিপোর্ট দিতে।’শোনা
যাচ্ছে রুবেলকে ফাঁদে ফেলার জন্যই নাজনীন এ মামলা করেছেন। আর পুলিশের তরফ
থেকে বলা হচ্ছে, এটা অপসহীন মামলা।এদিকে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)
সব খেলোয়াড়ের উদ্দেশে শুরুতেই একটি বার্তা দিয়ে রেখেছে, ক্রিকেটে এ পর্যায়ে
এসে সবাই যেন শৃংখল জীবনযাপন করেন। এর বাইরে কেউ কিছু করলে সেটা তার
ব্যক্তিগত ব্যাপার। বিসিবির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নিজামউদ্দিন চৌধুরী
সুজন কাল সেই কথাই বললেন। এদিকে শনিবার রাত ৮টা পর্যন্ত মিরপুরে নিজের
বাসায় ছিলেন রুবেল হোসেন। এরপর তিনি বাসা থেকে বেরিয়ে যান এবং তাকে ফোনেও
পাওয়া যাচ্ছে না।www.24banglanewspaper.com
মিরপুর মডেল থানার সামনে নাজনীন আক্তার বলেন, ‘আমি প্রতারণার বিষয়টি এখানে এনেছি। সেভাবেই মামলাটা করেছি।’ কী ধরনের প্রতারণা হয়েছে আপনার সঙ্গে? তিনি বলেন, ‘ওর (রুবেল) সঙ্গে আমার সম্পর্ক ছিল ৯ মাসের বেশি সময়। ওর কথার ওপর নির্ভর করে বিয়ের কথা ছিল আমাদের। আমি মিডিয়ার সঙ্গে জড়িত। ও ছেড়ে দিতে বলেছিল, ছেড়ে দিয়েছি। তারপরও যখন দেখলাম, অন্য মেয়েদের সঙ্গে তার সম্পর্ক আছে- সমস্যা তখনই দেখা দেয়। এক বন্ধুর মাধ্যমেই ওর সঙ্গে আমার পরিচয়।’রুবেল নাকি আপনাকে ভয় দেখিয়েছেন? নাজনীন আক্তার বলেন, ‘ও (রুবেল) আমাকে এভাবে বলেছে, আন্দালিব রহমান পার্থকে দিয়ে ফোন করিয়েআমাকে শায়েস্তা করবে। আমি কিছুই করতে পারব না, সেটাই বলেছে। বলেছে, মামলা হলে তাতে সে-ই জিতবে। আর আমার নামে এক কোটি টাকার মানহানির মামলা করা হবে।’ তিনি বলেন, ‘আমি যখন থানায় এসেছিলাম, তখন জাতীয় দলের কিছু খেলোয়াড় বিষয়টি মিটমাট করার জন্য এসেছিলেন। তারা রুবেলকে বলেছিল, তোমার বিয়ে করতে সমস্যা কী।’ নাজনীন আক্তার জানান, প্রমাণ নিয়েই তিনি মামলা করেছেন।এদিকে কত ধারায় মামলা হয়েছে জানতেচাইলে মিরপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সালাউদ্দিন আহমেদ খান বলেন, ‘বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক তার সঙ্গে সহবাস করে- এটাই অভিযোগ। পরবর্তী সময়ে যখন বিয়ের জন্য চাপ দেয়, তখন তিনি না করাতে ৯/১ ধারায় মামলা করেছে মেয়েটি। স্বাভাবিক ধারায় আমাদের তদন্ত এবং গ্রেফতার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’ দু’পক্ষ থেকে সমঝোতার কোনো চেষ্টা চলছে কিনা? তিনি বলেন, ‘এটা আপসহীন মামলা। এখন এটা আদালতের এখতিয়ার। সেটা আদালত মেনে নেবেন কিনা, সেটাই দেখার। মামলা যখন হয়ে যায়, তখন কারোরই কিছু করার থাকে না। সিদ্ধান্ত আদালত নেবেন।’
আলোচিত ডেস্ক : ক্রিকেটার রুবেল আমাকে বিয়ে করলে মামলা তুলে নেব’ বললেন চিত্রনায়িকা নাজনীন আক্তার হ্যাপি। আজ রবিবার বিকেলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডাক্তারি পরীক্ষার পর মিরপুর মডেল থানায় এ কথা বলেন হ্যাপি।
হ্যাপি বলেন, ‘রুবেলের সঙ্গে আমার নয় মাসের প্রেমের সম্পর্ক। বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে সে কয়েকবার আমার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক গড়েছে। আর এটা হয়েছে মিরপুর কমার্স কলেজের বিপরীতে তার বাসায়।’
তিনি বলেন, ‘কয়েক দিন আগেও সে ডেকে নিয়ে আমার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক গড়েছে। এ সময় আমি তাকে বিয়ের কথা বলি। যা অনেক আগে থেকেই বলে আসছি। বিয়ের কথা বললেই সে নানা অজুহাতে পাশ কাটিয়ে চলে। এখনো বিয়ের বয়স হয়নি। কিছুদিন পরে করব। ক্যারিয়ারটা আরেকটু এগিয়ে নিই। তুমি পড়াশোনা শেষ করো, তারপর ধুমধাম করে বিয়েটা হবে। এমন সব গল্প বলে দিন পার করত আর আমাকে ভোগ করত।’
হ্যাপি আরও বলেন, ‘তিন-চার দিন আগে আমি তাকে বিয়ের কথা বলি। উত্তরে রুবেল বলে, মিডিয়ার মেয়েরা ভালো না। তাদের চরিত্র খুব খারাপ। তাদের সঙ্গে প্রেম করা যায়, কিন্তু বিয়ে কোনোভাবেই সম্ভব নয়। সুতরাং আমি তোমাকে বিয়ে করতে পারব না।’
‘বিয়ে করবে না তো এত দিন আমার শরীরটা নষ্ট করলে কেন- এ কথায় ক্ষিপ্ত হয়ে রুবেল আমার গায়ে হাত তোলে। সেদিনের পর আর কোনো কথা হয়নি তার সঙ্গে। আমি ভেবেছিলাম, রুবেল আমাকে ফোন করবে। কিন্তু না, কয়েক দিন ধরে কোনো যোগাযোগ নেই তার সঙ্গে। ফলে এক প্রকার বাধ্য হয়েই আমাকে মামলা করতে হলো,’ অভিযোগ করেন নাজনীন আক্তার হ্যাপি।
তিনি বলেন, ‘আমার কাছে যথেষ্ট প্রমাণ আছে। মামলায় যে অভিযোগ করা হয়েছে
আমি সেটা প্রমাণ করতে পারবো। প্রমাণ নিয়েই আমি প্রতারণা ও নারী নির্যাতন
মামলা করেছি। সাংবাদিকরা রুবেলকে জিজ্ঞাসা করুন। তাহলেই সত্য উন্মোচিত
হবে।’
মিরপুর থানা থেকে বাসায় ফিরে যাবেন বলে জানান হ্যাপি। তিনি বলেন, ‘মিরপুর থানায় কিছু কাজ আছে। সেগুলো শেষ করে বাসায় ফিরে যাব।’
হ্যাপি আরও বলেন, ‘মামলা তুলে নেবার কোনো প্রশ্নই নেই। মামলা তোলার জন্য মামলা করিনি। তবে রুবেল যদি মীমাংসায় আসতে চান তখন মামলা তুলে নেবার ব্যাপারে ভাবব।’
এর আগে রবিবার দুপুর ১টায় হ্যাপির ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে যায় মিরপুর থানা পুলিশ।
ঢামেক হাসপাতালের ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক ডা. হাবিবুজ্জামান বলেন, ‘হ্যাপির শারিরীক পরীক্ষার জন্য তিন সদস্যের একটি মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছে। আমরা চেষ্টা করবো দ্রুত রিপোর্ট দিতে।’
মিরপুর মডেল থানার সামনে নাজনীন আক্তার বলেন, ‘আমি প্রতারণার বিষয়টি এখানে এনেছি। সেভাবেই মামলাটা করেছি।’ কী ধরনের প্রতারণা হয়েছে আপনার সঙ্গে? তিনি বলেন, ‘ওর (রুবেল) সঙ্গে আমার সম্পর্ক ছিল ৯ মাসের বেশি সময়। ওর কথার ওপর নির্ভর করে বিয়ের কথা ছিল আমাদের। আমি মিডিয়ার সঙ্গে জড়িত। ও ছেড়ে দিতে বলেছিল, ছেড়ে দিয়েছি। তারপরও যখন দেখলাম, অন্য মেয়েদের সঙ্গে তার সম্পর্ক আছে- সমস্যা তখনই দেখা দেয়। এক বন্ধুর মাধ্যমেই ওর সঙ্গে আমার পরিচয়।’রুবেল নাকি আপনাকে ভয় দেখিয়েছেন? নাজনীন আক্তার বলেন, ‘ও (রুবেল) আমাকে এভাবে বলেছে, আন্দালিব রহমান পার্থকে দিয়ে ফোন করিয়েআমাকে শায়েস্তা করবে। আমি কিছুই করতে পারব না, সেটাই বলেছে। বলেছে, মামলা হলে তাতে সে-ই জিতবে। আর আমার নামে এক কোটি টাকার মানহানির মামলা করা হবে।’ তিনি বলেন, ‘আমি যখন থানায় এসেছিলাম, তখন জাতীয় দলের কিছু খেলোয়াড় বিষয়টি মিটমাট করার জন্য এসেছিলেন। তারা রুবেলকে বলেছিল, তোমার বিয়ে করতে সমস্যা কী।’ নাজনীন আক্তার জানান, প্রমাণ নিয়েই তিনি মামলা করেছেন।এদিকে কত ধারায় মামলা হয়েছে জানতেচাইলে মিরপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সালাউদ্দিন আহমেদ খান বলেন, ‘বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক তার সঙ্গে সহবাস করে- এটাই অভিযোগ। পরবর্তী সময়ে যখন বিয়ের জন্য চাপ দেয়, তখন তিনি না করাতে ৯/১ ধারায় মামলা করেছে মেয়েটি। স্বাভাবিক ধারায় আমাদের তদন্ত এবং গ্রেফতার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’ দু’পক্ষ থেকে সমঝোতার কোনো চেষ্টা চলছে কিনা? তিনি বলেন, ‘এটা আপসহীন মামলা। এখন এটা আদালতের এখতিয়ার। সেটা আদালত মেনে নেবেন কিনা, সেটাই দেখার। মামলা যখন হয়ে যায়, তখন কারোরই কিছু করার থাকে না। সিদ্ধান্ত আদালত নেবেন।’
আলোচিত ডেস্ক : ক্রিকেটার রুবেল আমাকে বিয়ে করলে মামলা তুলে নেব’ বললেন চিত্রনায়িকা নাজনীন আক্তার হ্যাপি। আজ রবিবার বিকেলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডাক্তারি পরীক্ষার পর মিরপুর মডেল থানায় এ কথা বলেন হ্যাপি।
হ্যাপি বলেন, ‘রুবেলের সঙ্গে আমার নয় মাসের প্রেমের সম্পর্ক। বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে সে কয়েকবার আমার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক গড়েছে। আর এটা হয়েছে মিরপুর কমার্স কলেজের বিপরীতে তার বাসায়।’
তিনি বলেন, ‘কয়েক দিন আগেও সে ডেকে নিয়ে আমার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক গড়েছে। এ সময় আমি তাকে বিয়ের কথা বলি। যা অনেক আগে থেকেই বলে আসছি। বিয়ের কথা বললেই সে নানা অজুহাতে পাশ কাটিয়ে চলে। এখনো বিয়ের বয়স হয়নি। কিছুদিন পরে করব। ক্যারিয়ারটা আরেকটু এগিয়ে নিই। তুমি পড়াশোনা শেষ করো, তারপর ধুমধাম করে বিয়েটা হবে। এমন সব গল্প বলে দিন পার করত আর আমাকে ভোগ করত।’
হ্যাপি আরও বলেন, ‘তিন-চার দিন আগে আমি তাকে বিয়ের কথা বলি। উত্তরে রুবেল বলে, মিডিয়ার মেয়েরা ভালো না। তাদের চরিত্র খুব খারাপ। তাদের সঙ্গে প্রেম করা যায়, কিন্তু বিয়ে কোনোভাবেই সম্ভব নয়। সুতরাং আমি তোমাকে বিয়ে করতে পারব না।’
‘বিয়ে করবে না তো এত দিন আমার শরীরটা নষ্ট করলে কেন- এ কথায় ক্ষিপ্ত হয়ে রুবেল আমার গায়ে হাত তোলে। সেদিনের পর আর কোনো কথা হয়নি তার সঙ্গে। আমি ভেবেছিলাম, রুবেল আমাকে ফোন করবে। কিন্তু না, কয়েক দিন ধরে কোনো যোগাযোগ নেই তার সঙ্গে। ফলে এক প্রকার বাধ্য হয়েই আমাকে মামলা করতে হলো,’ অভিযোগ করেন নাজনীন আক্তার হ্যাপি।
মিরপুর থানা থেকে বাসায় ফিরে যাবেন বলে জানান হ্যাপি। তিনি বলেন, ‘মিরপুর থানায় কিছু কাজ আছে। সেগুলো শেষ করে বাসায় ফিরে যাব।’
হ্যাপি আরও বলেন, ‘মামলা তুলে নেবার কোনো প্রশ্নই নেই। মামলা তোলার জন্য মামলা করিনি। তবে রুবেল যদি মীমাংসায় আসতে চান তখন মামলা তুলে নেবার ব্যাপারে ভাবব।’
এর আগে রবিবার দুপুর ১টায় হ্যাপির ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে যায় মিরপুর থানা পুলিশ।
ঢামেক হাসপাতালের ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক ডা. হাবিবুজ্জামান বলেন, ‘হ্যাপির শারিরীক পরীক্ষার জন্য তিন সদস্যের একটি মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছে। আমরা চেষ্টা করবো দ্রুত রিপোর্ট দিতে।’
