মোবাইলের মাধ্যমে এক ভটভটি চালকের প্রেমে পড়েছিলেন কলেজ ছাত্রী নাজমা। সুন্দর সংসারের স্বপ্ন দেখা নাজমা বিয়ের ক'দিন পরই জানতে পারেন তিনি প্রতারিত হয়েছেন। ওই স্বামী আগেই বিবাহিত। ঘরে রয়েছে স্ত্রী-সন্তান। নিরবে সহ্য করা ছাড়া প্রতারিত নাজমার কিছুই করার থাকে না। কিন্তু এর মাঝে শুরু হয় যৌতুক নিয়ে নানা আবদার। বিয়ের ছয় মাস না পেরোতেই যৌতুকের বলি হয়ে না ফেরার দেশে চলে যান। রোববার সকালে বগুড়ার সারিয়াকান্দি উপজেলার আমতলি গ্রামে নিজ ঘরে যৌতুক নিয়ে বাকতিন্ডার এক পর্যায়ে পাষান্ড স্বামী তাকে দা দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে। লাশ ঘরে ফেলে স্বামী সিরাজুল ইসলাম পরিবারের সদস্যদের নিয়ে গা-ঢাকা দেন। বাবা-মা তাদের প্রিয় মেয়েকে জীবিত নিতে এলেও এখন লাশ নিয়ে ফিরতে হচ্ছে। বেলা দেড়টায় এ খবর পাঠানোর সময় পুলিশ লাশ উদ্ধার করছিল।পুলিশ ও স্বজনরা জানান, সারিয়াকান্দি উপজেলার আমতলি গ্রামের আবদুর রশিদের ছেলে ভটভটি চালক সিরাজুল ইসলাম মোবাইল ফোনে পার্শ্ববর্তী গাবতলী উপজেলার বাগবাড়ি গ্রামের আবদুল খালেকের মেয়ে কলেজ ছাত্রী নাজমা বেগমের (২০) সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন। স্ত্রী ও এক ছেলের কথা গোপন রেখে তিনি বিয়ের প্রস্তাব দেন। বিয়ের সময় দরিদ্র আবদুল খালেক মেয়ে-জামাইকে সাধ্যমত গহনা ও উপঢৌকন দেন। তবে বিয়ের কয়েকদিন পর থেকে ৫০ হাজার টাকা যৌতুকের জন্য সিরাজুল তার উপর নির্যাতন শুরু করে। তাকে বাবার বাড়িতে যেতে দেয়া হতো না। বাধ্য হয়ে কয়েকদিন আগে বাবা-মা জামাইকে ছয় হাজার টাকা দেন। এরপরও নির্যাতন অব্যাহত ছিল।নির্যাতনের খবর পেয়ে শনিবার আবদুল খালেক ও তার স্ত্রী আঞ্জুয়ারা মেয়ে নাজমাকে ফিরিয়ে নিতে জামাই বাড়ি আসেন। রোববার বেলা পৌণে ১১টার দিকে শ্বশুর-শাশুড়ি বাড়ির বাইরে গেলে সিরাজুল আবারও যৌতুকের জন্য নাজমাকে মারপিট করে। বাকবিতন্ডার এক পর্যায়ে পাষান্ড সিরাজুল দা দিয়ে নাজমার বাম কানের নিচে) ও পেটে কোপ দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।ঘাতক সিরাজুল ঘরে লাশ ফেলে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে পালিয়ে যায়। বাবা-মা প্রিয় মেয়ে নাজমার নিথর রক্তাক্ত দেহের সামনে আহাজারি করতে থাকেন। খবর পেয়ে সারিয়াকান্দি থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ ও রক্তমাখা দা উদ্ধার করে।ওসি ওয়াহিদুজ্জামান জানান, যৌতুক নিয়ে বিরোধে নববধুকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। লাশ মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘাতক স্বামী স্বপরিবার পালিয়ে গেছে। তাদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। এদিকে নিহতের বাবা মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।www.24banglanewspaper.com
মেহেদীর রং না মিশতেই যৌতুকের বলি নাজমা
মোবাইলের মাধ্যমে এক ভটভটি চালকের প্রেমে পড়েছিলেন কলেজ ছাত্রী নাজমা। সুন্দর সংসারের স্বপ্ন দেখা নাজমা বিয়ের ক'দিন পরই জানতে পারেন তিনি প্রতারিত হয়েছেন। ওই স্বামী আগেই বিবাহিত। ঘরে রয়েছে স্ত্রী-সন্তান। নিরবে সহ্য করা ছাড়া প্রতারিত নাজমার কিছুই করার থাকে না। কিন্তু এর মাঝে শুরু হয় যৌতুক নিয়ে নানা আবদার। বিয়ের ছয় মাস না পেরোতেই যৌতুকের বলি হয়ে না ফেরার দেশে চলে যান। রোববার সকালে বগুড়ার সারিয়াকান্দি উপজেলার আমতলি গ্রামে নিজ ঘরে যৌতুক নিয়ে বাকতিন্ডার এক পর্যায়ে পাষান্ড স্বামী তাকে দা দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে। লাশ ঘরে ফেলে স্বামী সিরাজুল ইসলাম পরিবারের সদস্যদের নিয়ে গা-ঢাকা দেন। বাবা-মা তাদের প্রিয় মেয়েকে জীবিত নিতে এলেও এখন লাশ নিয়ে ফিরতে হচ্ছে। বেলা দেড়টায় এ খবর পাঠানোর সময় পুলিশ লাশ উদ্ধার করছিল।পুলিশ ও স্বজনরা জানান, সারিয়াকান্দি উপজেলার আমতলি গ্রামের আবদুর রশিদের ছেলে ভটভটি চালক সিরাজুল ইসলাম মোবাইল ফোনে পার্শ্ববর্তী গাবতলী উপজেলার বাগবাড়ি গ্রামের আবদুল খালেকের মেয়ে কলেজ ছাত্রী নাজমা বেগমের (২০) সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন। স্ত্রী ও এক ছেলের কথা গোপন রেখে তিনি বিয়ের প্রস্তাব দেন। বিয়ের সময় দরিদ্র আবদুল খালেক মেয়ে-জামাইকে সাধ্যমত গহনা ও উপঢৌকন দেন। তবে বিয়ের কয়েকদিন পর থেকে ৫০ হাজার টাকা যৌতুকের জন্য সিরাজুল তার উপর নির্যাতন শুরু করে। তাকে বাবার বাড়িতে যেতে দেয়া হতো না। বাধ্য হয়ে কয়েকদিন আগে বাবা-মা জামাইকে ছয় হাজার টাকা দেন। এরপরও নির্যাতন অব্যাহত ছিল।নির্যাতনের খবর পেয়ে শনিবার আবদুল খালেক ও তার স্ত্রী আঞ্জুয়ারা মেয়ে নাজমাকে ফিরিয়ে নিতে জামাই বাড়ি আসেন। রোববার বেলা পৌণে ১১টার দিকে শ্বশুর-শাশুড়ি বাড়ির বাইরে গেলে সিরাজুল আবারও যৌতুকের জন্য নাজমাকে মারপিট করে। বাকবিতন্ডার এক পর্যায়ে পাষান্ড সিরাজুল দা দিয়ে নাজমার বাম কানের নিচে) ও পেটে কোপ দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।ঘাতক সিরাজুল ঘরে লাশ ফেলে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে পালিয়ে যায়। বাবা-মা প্রিয় মেয়ে নাজমার নিথর রক্তাক্ত দেহের সামনে আহাজারি করতে থাকেন। খবর পেয়ে সারিয়াকান্দি থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ ও রক্তমাখা দা উদ্ধার করে।ওসি ওয়াহিদুজ্জামান জানান, যৌতুক নিয়ে বিরোধে নববধুকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। লাশ মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘাতক স্বামী স্বপরিবার পালিয়ে গেছে। তাদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। এদিকে নিহতের বাবা মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।www.24banglanewspaper.com
